মুহম্মদ ফেরেস্তার কাছে জেনেছিলেন যে কাবা হল নবী ইব্রাহিম এর বানানো উপাসনাগৃহ। এটি এক ও অদ্বিতীয় আল্লার ঘর। তার আগে মক্কার কেউ কোনোদিন এমন কথা শুনেছিল বলে কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। ব্যাপারটাকে একটু খোঁচা দিলেই দেখা যায় মুহম্মদ ছাড়া দুনিয়ার আর যত নবীর কথা কোরানে বলা আছে তাদের কেউ কোথাও মক্কা ও কাবা নিয়ে কোনো কথাই বলেন নাই। অন্য কোনো ধর্মের কেউ কাবা নিয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহী নয়। অথচ জেরুজালেমের দখল নিয়ে রীতিমত মারামারি কাটাকাটি হয়ে গেছে। চীনের বৌদ্ধরা হিমালয় পার হয়ে ভারতে যাতায়াত করত কেবল বুদ্ধের জন্য। হিন্দুরা এখনো প্রাণ হাতে নিয়ে অমরনাথ বা হিংলাজ এর মতন মারাত্মক বিদেশে তীর্থ করতে যায়। কাবা যদি ঈব্রাহিমের সময় থেকেই পবিত্র স্থান হবে তো অন্য কেউ সেদিকে ফিরেও তাকায় না কেন? বাস্তবিক মুহম্মদ এর আগে কাবা কি ধরনের উপাসনাগৃহ ছিল?
কাবার প্রধান দেবতা ছিলেন আল-লাত (The MOON GOD), তাঁরই প্রভাবে ইসলামের সমস্ত নিশানে চাঁদের দেখা পাওয়া যায়। মুহম্মদ যাকে আল্লাহ বলেছেন।
হিন্দুদের দেবাদিদেব মহাদেব শিব (The Initial and ultimate GOD) এর অন্যতম নাম হল সোমনাথ। তাঁর মাথায় জটার মধ্যে একটি চাঁদ লটকানো থাকে।
কাবাগৃহের সবচেয়ে পবিত্র বস্তু সেই কালো পাথর। শৈবদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র বস্তু কালো পাথরে বানানো শিবলিঙ্গ। যা কিনা MOON GOD শিবের অল্টারনেট সিম্বল।
এইটা যদি রাগ করে ভেঙে ফেলা হয় আর তারপরে তলার অংশটা খাড়া করে দেয়ালে গেঁথে দেওয়া হয় তো কেমন লাগবে সেই চিন্তা পাঠকের জন্য থাকুক।
শেলাই বিহীন শাদা পোশাকে উপাসনা করা বৈদিক কালচার। এখনো হিন্দুরা বেদে উল্লিখিত দেবতাদের পুজোয় অংশ নিলে শেলাই বিহীন শাদা পোশাক পরে।
মক্কায় গিয়ে কাবার চাদ্দিকে সাত বার পাক দিতে হয়। এটিও বৈদিক আমলের প্রথা। পবিত্র বস্তুকে সম্মান জানাতে সেটিকে ডাইনে রেখে পাক দেওয়াকে প্রদক্ষিণ করা বলে। হিন্দুরা বিয়ের সময় যজ্ঞের আগুনের চাদ্দিকে সাত পাক দেয় এখনো। বিভিন্ন মন্দিরে গেলেও এমন করে থাকে। বৌদ্ধরাও একই ভাবে তাদের স্তুপের চাদ্দিকে পাক মারত, এখনো মারে।
বলতেই হয় যে ঈব্রাহিম থেকে শুরু করে মুহম্মদ এর আগে অবধি কোনো খানেই কাবা এবং মক্কাকে এক ঈশ্বরের মন্দির বলে কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে কাবায় যেসব ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা হত তার সাথেও ঈব্রাহিম থেকে শুরু করে যীশু অবধি কারোর ধর্মের কোনো মিল পাওয়া যায় না। মিল খুঁজতে গেলে একমাত্র ভারতীয় মূর্তিপূজার সাথেই মিল দেখা যায়।
এবার দেখা যাক আরবের লোকেরা ইন্ডিয়া সম্পর্কে কি ভাবত মুহম্মদের ধর্মের আগে। মুহম্মদের সময়েও সেখানে প্যাগান মূর্তিপূজক পরিবারে মানুষের নাম রাখা হত হিন্দ। কাজেই সম্পর্কটা কেমন ছিল আশা করি বেশি বলার দরকার পড়বে না। মুহম্মদ উম্মে হানী নামক এক প্যাগান মহিলার বাড়ির থেকেই মাঝরাতে জীবিত অবস্থায় উড়ন্ত ঘোড়ায় চড়ে স্বর্গে গেছিলেন। উম্মে হানীর আরেকটা নাম ছিল হিন্দ। উড়ন্ত ঘোড়ার রথে চড়ে জীবিত স্বর্গে যাওয়া এবং ঈশ্বরের সাথে দেখা করে আসার অবিকল গল্প আছে রামায়ণ মহাভারতে। অন্যদিকে ঈব্রাহিম বা তাঁর পরের নবীরা কোনোদিন উড়ন্ত ঘোড়ায় চড়েন নি।
ঈশ্বরের সাথে দেখা করতে যাবার গল্প ভারতীয় ধর্মেও আছে। কিন্তু সেখানে যিনি দেখা করতে গেছিলেন তিনি ফিরে এসে দেখেন পৃথিবীতে বহুকাল কেটে গেছে। থিওরি অফ রিলেটিভিটি অনুসারে এটাই সবসময় হবার কথা। এই ধারণাটা মুহম্মদের জন্মের অনেক আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সে ব্যাপারে মুহম্মদের খুব একটা পরিষ্কার জ্ঞান ছিল না। ফলে আচমকা গল্প বানাতে গিয়ে বলে দিয়েছে ঈশ্বরের কাছে গিয়ে ফিরে আসার মাঝে পৃথিবীতে মাত্র এক সেকেন্ড পার হয়েছে।
বাইবেলে বর্ণিত অন্য সব নবীদের মতের ব্যাপারেও মুহম্মদের খুব পরিষ্কার জ্ঞান ছিল না। কাহিনী এবং উপদেশ গুলো মোটামুটি জানা ছিল মাত্র। ফলে কোরানের বর্ণনার সাথে সেগুলো অনেক সময়েই নিখুঁতভাবে মেলে না। কিন্তু যেখানেই এমন অমিল দেখা গেছে সেখানেই মুহম্মদ সোজা বলে দিয়েছে তার স্বপ্নে পাওয়া কথাগুলোই ঠিক আর বাইবেলের কথাগুলো বিকৃত হয়ে গেছে। যেমন বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট এর মধ্যে কোথাও মরার পরের শাস্তি বা পুরষ্কারের কোনো কথাই নেই। শেষ পুস্তক দুটিতেও বলা আছে শেষ বিচারের দিনে ঈশ্বর নেমে আসবেন এবং পাপীদের ধ্বংস করবেন আর জেরুজালেমকে ধর্মভীরুদের জন্য নিরাপদ করবেন। যীশুর কথায় স্বর্গ নরক থাকলেও হূর পরী পাওয়া যায় না।
মরার পরের স্বর্গ নরক ও সাথে অপ্সরা এবং স্বর্গীয় সুরার ধারণা কিন্তু মুহম্মদের সময়ে ভারতে প্রচলিত ছিল। (তার আগেও ছিল)। সেই মত অনুসারে বিচারটা হত মরার পরেই। এই মরার পরেই বিচারটা বাইবেলের বিচারের সাথে না মেলায় বাদ দিয়ে বাকিটার সাথে বাইবেলের শেষ বিচারকে মিলিয়ে যে খিচুড়ি দাঁড় করানো হয়েছে তাতে বিনুদন অফুরন্ত।
যেমনঃ-
Volume 1, Book 8, Number 345:
Narrated Abu Dhar:
Allah's Apostle said, "While I was at Mecca the roof of my house was opened and Gabriel descended, opened my chest, and washed it with Zam-zam water. Then he brought a golden tray full of wisdom and faith and having poured its contents into my chest, he closed it. Then he took my hand and ascended with me to the nearest heaven, when I reached the nearest heaven, Gabriel said to the gatekeeper of the heaven, 'Open (the gate).' The gatekeeper asked, 'Who is it?' Gabriel answered: 'Gabriel.' He asked, 'Is there anyone with you?' Gabriel replied, 'Yes, Muhammad I is with me.' He asked, 'Has he been called?' Gabriel said, 'Yes.' So the gate was opened and we went over the nearest heaven and there we saw a man sitting with some people on his right and some on his left. When he looked towards his right, he laughed and when he looked toward his left he wept. Then he said, 'Welcome! O pious Prophet and pious son.' I asked Gabriel, 'Who is he?' He replied, 'He is Adam and the people on his right and left are the souls of his offspring. Those on his right are the people of Paradise and those on his left are the people of Hell and when he looks towards his right he laughs and when he looks towards his left he weeps.'
Then he ascended with me till he reached the second heaven and he (Gabriel) said to its gatekeeper, 'Open (the gate).' The gatekeeper said to him the same as the gatekeeper of the first heaven had said and he opened the gate. Anas said: "Abu Dhar added that the Prophet met Adam, Idris, Moses, Jesus and Abraham, he (Abu Dhar) did not mention on which heaven they were but he mentioned that he (the Prophet ) met Adarn on the nearest heaven and Abraham on the sixth heaven. Anas said, "When Gabriel along with the Prophet passed by Idris, the latter said, 'Welcome! O pious Prophet and pious brother.' The Prophet asked, 'Who is he?' Gabriel replied, 'He is Idris." The Prophet added, "I passed by Moses and he said, 'Welcome! O pious Prophet and pious brother.' I asked Gabriel, 'Who is he?' Gabriel replied, 'He is Moses.' Then I passed by Jesus and he said, 'Welcome! O pious brother and pious Prophet.' I asked, 'Who is he?' Gabriel replied, 'He is Jesus.
Then I passed by Abraham and he said, 'Welcome! O pious Prophet and pious son.' I asked Gabriel, 'Who is he?' Gabriel replied, 'He is Abraham. The Prophet added, 'Then Gabriel ascended with me to a place where I heard the creaking of the pens." Ibn Hazm and Anas bin Malik said: The Prophet said, "Then Allah enjoined fifty prayers on my followers when I returned with this order of Allah, I passed by Moses who asked me, 'What has Allah enjoined on your followers?' I replied, 'He has enjoined fifty prayers on them.' Moses said, 'Go back to your Lord (and appeal for reduction) for your followers will not be able to bear it.' (So I went back to Allah and requested for reduction) and He reduced it to half. When I passed by Moses again and informed him about it, he said, 'Go back to your Lord as your followers will not be able to bear it.' So I returned to Allah and requested for further reduction and half of it was reduced. I again passed by Moses and he said to me: 'Return to your Lord, for your followers will not be able to bear it. So I returned to Allah and He said, 'These are five prayers and they are all (equal to) fifty (in reward) for My Word does not change.' I returned to Moses and he told me to go back once again. I replied, 'Now I feel shy of asking my Lord again.' Then Gabriel took me till we '' reached Sidrat-il-Muntaha (Lote tree of; the utmost boundry) which was shrouded in colors, indescribable. Then I was admitted into Paradise where I found small (tents or) walls (made) of pearls and its earth was of musk."
কেয়ামতের বিচারের আগেই মুহম্মদ স্বর্গে গিয়ে মানুষ দেখলেন। যেমনটা মহাভারতের অর্জুন দেখেছিলেন। ভারতীয় ধর্মে মৃত্যুর পরেই মানুষের বিচার করে স্বর্গে বা নরকে পাঠানোর প্রথা আছে। তাই হিন্দু স্বর্গে যেকোনো সময়েই গেলে মানুষ দেখা যাবে। কিন্তু ইসলামের স্বর্গে সেটা কিভাবে সম্ভব?
অবশেষে হিন্দ সম্পর্কে আরবীয় চিন্তার সামান্য নমুনা লাগিয়ে না দিলে খারাপ দেখায়।
"Aya muwarekal araj yushaiya noha minar HIND-e Wa aradakallaha manyonaifail jikaratun"
"Oh the divine land of HIND (India) (how) very blessed art thou! Because thou art the chosen of God blessed with knowledge"
"Wahalatijali Yatun ainana sahabi akha-atun jikra Wahajayhi yonajjalur -rasu minal HINDATUN "
"That celestial knowledge which like four lighthouses shone in such brilliance - through the (utterances of) Indian sages in fourfold abundance."
"Yakuloonallaha ya ahal araf alameen kullahum Fattabe-u jikaratul VEDA bukkun malam yonajjaylatun"
"God enjoins on all humans, follow with hands down The path the Vedas with his divine precept lay down."
"Wahowa alamus SAMA wal YAJUR minallahay Tanajeelan Fa-enoma ya akhigo mutiabay-an Yobassheriyona jatun"
"Bursting with (Divine) knowledge are SAM &YAJUR bestowed on creation, Hence brothers respect and follow the Vedas, guides to salvation"
"Wa-isa nain huma RIG ATHAR nasayhin Ka-a-Khuwatun Wa asant Ala-udan wabowa masha -e-ratun"
"Two others, the Rig and Athar teach us fraternity, Sheltering under their lustre dispels darkness till eternity"
This poem was written by Labi-Bin-E- Akhtab-Bin-E-Turfa who lived in Arabia around 1850 B.C. That was 2300 years before Mohammed!!! This verse can be found in Sair- Ul- Okul which is an anthology of ancient Arabic poetry. It was compiled in 1742 AD under order of the Turkish Sultan Salim.
========================
এর পরেও মুসলিম জাতি বিশ্বাস করে যে ইসলাম হল সেই আল্লার দেওয়া ধর্ম, যিনি কিনা ইব্রাহিম এর ঈশ্বর ছিলেন। আর কাবা হল ঈব্রাহিমের বানানো উপাসনালয়। তাদের কাছে মুহম্মদের স্বপ্নের মূল্য সব রকম তথ্যপ্রমাণের চেয়ে বেশি।
ঘোড়াগুলি মানুষ হোক। (দ্বিতীয় পর্ব)
যে 'মালিক' ঘোড়াদের মানুষ করেন তাঁর লিখিত গাইড-বুক থেকে (মালিক সম্পর্কে জানতে হলে প্রথম পর্ব পড়ুন।)
শুরু করছি সেই মহান মালিক এর নামে, যিনি ঘোড়াদের মানুষ করেন। তিনি এছাড়াও মানুষ করেন গরু, ছাগল, ভেড়া, কুকুর ইত্যাদিদেরও। তিনি যাকে চান তাকেই মানুষ করতে সক্ষম।
মালিক তাঁর ঘোড়াদের মানুষ করার যে আদর্শ বিধান অনুসরণ করিয়াছেন তাহাই শ্রেষ্ঠ পথ। যারা বিশ্বাস করে না তারা নিশ্চয় আরশলা বা উইপোকা। তারা কখনো বিশ্বাস করবেও না।
ঘোড়াদের উচিত নয় এইসব নোংরা পোকাদের বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করা। ওরা সন্দেহ ও ফাসাদ সৃষ্টিকারী। তাদের জন্য মালিক নিশ্চয় এনেছেন ডিডিটি বা কার্বলিক এর মতন শাস্তি। তোমরা কি তার গন্ধ পাও না?
এই সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই, যা ঘোড়াদের মানুষ করার পরিপূর্ণ বিধান দেয়। তার সাথে অন্য সব বিশ্বাসী প্রাণিদেরও জীবন সুন্দর করে। নিশ্চয় মালিক বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী।
মানুষ বেশির ভাগ সময়েই ত্রুটিমুক্ত। কিন্তু ঘোড়ারা কেউ ত্রুটিহীন নয়। মালিক এর আস্তাবলের সেই দুটি ঘোড়া ছাড়া, যারা প্রথম মালিকের দেওয়া লাগাম পরেছিল।
তাই তোমরা ও ঘোড়াদের মধ্যে তোমাদের সিদ্ধান্তই অধিক মূল্যবান। কারণ মালিক তোমাদের একে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করেছেন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু জানেন।
তোমরা তোমাদের ঘোড়াদের বাইরে নিয়ে যাবার সময় শরীরের সাজ ও মুখের লাগাম ব্যবহার করবে। এছাড়া যদি রাস্তায় চোরের উপদ্রপের আশঙ্কা কর তবে ঘোড়াকে বস্তায় পুরে চার পা শুধু বের করে দিও।
তোমরা নিজের আস্তাবলে চারটির বেশি ঘোড়া রাখবে না। তবে এর বাইরে আলাদা করে উঠোনে বা গোয়ালে যতো খুশি ঘোড়া রাখতে পারো। তোমার দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী তারা তোমার জন্য হালাল।
তারাই উতম ঘোড়া যারা মালিকের নির্দেশ নির্ভূল মেনে চলে। এমনকি মালিক সামনে থাকুক বা না থাকুক তারা মালিকের পরানো লাগামের উপর বিরক্তি প্রদর্শন করে না। এরাই মানুষ হবার যোগ্য।
সেই ঘোড়াই আদর্শ ঘোড়া, যে তার মালিকের আহবানে দৌড়ে আসে, এমনকি চুল্লির ভিতর থেকে হলেও। মালিক পর্বত উত্তোলন করতে বললেও সে বিনা প্রশ্নে সেই কাজে প্রবৃত্ত হবে। এরাই মানুষ হবার যোগ্য।
ঘোড়ারা তোমাদের আস্তাবলে থাকে, তোমাদের খায় পরে ও তোমাদেরই বুদ্ধিতে নিরাপদে থেকে মানুষ হয়। যেসব ঘোড়া এই সত্য স্বীকার করে তোমাদের অনুগত থাকে তারাই ঈমানদার ঘোড়া। তারাই মানুষ হবার উপযুক্ত।
ঘোড়াদের মধ্যে যাদের অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের প্রথমে উপদেশ দাও, পরে আস্তাবলের বাইরে বেঁধে রাখো। তারপর তাদের প্রহার করো। এতে যদি তারা শুধরে যায় তবে আর কিছু করতে যেয়ো না।
ঘোড়াদের প্রহার কেন করা হয়েছে তা ঘোড়া ও মালিক এর ব্যক্তিগত গোপন ব্যাপার। পাব্লিকের কাছে তার কারণ দেখাতে তোমরা বাধ্য নও। কোনো মালিক কে প্রশ্ন করা হবে না সে কেন তার ঘোড়াকে পিটিয়েছিল।
তবুও ভদ্রলোক সাজতে চাইলে ঘোড়াদের প্রহার করার কথা গোপন রাখার নির্দেশ দিতে পারো। উত্তম ঘোড়া অবশ্যই মালিক যা হেফাজত করতে বলেছেন তার হেফাজত করবে। মালিক এর সামনে বা অবর্তমানে। এর অবাধ্য হলে তাদের আবার প্রহার করতে পারো।
প্রহার করার সময় শরীরের দৃশ্যমান অংশ (মানে আঙুলের ডগা, বা নাকের ডগা) বাদ দিয়ে আঘাত করবে। আর দেখবে যেন হাত পা ভেঙে না যায়। কারণ ল্যাংড়া ঘোড়া কোনো কাজে লাগে না আর তা থেকে পূর্ণ মানুষও করা যায় না।
যদি এর পরেও কোনো ঘোড়াকে মানুষ করতে না পারো তবে তা ঘোড়ারই দোষ, এই কিতাব এর নয়। সব ঘোড়া মানুষ হয় না। তাই তেমন ঘোড়াকে তিনবার ‘দূর হ, দূর হ, দূর হ’ বলে দূর করে দিয়ে অন্য ঘোড়া নিয়ে এসো।
শুরু করছি সেই মহান মালিক এর নামে, যিনি ঘোড়াদের মানুষ করেন। তিনি এছাড়াও মানুষ করেন গরু, ছাগল, ভেড়া, কুকুর ইত্যাদিদেরও। তিনি যাকে চান তাকেই মানুষ করতে সক্ষম।
মালিক তাঁর ঘোড়াদের মানুষ করার যে আদর্শ বিধান অনুসরণ করিয়াছেন তাহাই শ্রেষ্ঠ পথ। যারা বিশ্বাস করে না তারা নিশ্চয় আরশলা বা উইপোকা। তারা কখনো বিশ্বাস করবেও না।
ঘোড়াদের উচিত নয় এইসব নোংরা পোকাদের বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করা। ওরা সন্দেহ ও ফাসাদ সৃষ্টিকারী। তাদের জন্য মালিক নিশ্চয় এনেছেন ডিডিটি বা কার্বলিক এর মতন শাস্তি। তোমরা কি তার গন্ধ পাও না?
এই সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই, যা ঘোড়াদের মানুষ করার পরিপূর্ণ বিধান দেয়। তার সাথে অন্য সব বিশ্বাসী প্রাণিদেরও জীবন সুন্দর করে। নিশ্চয় মালিক বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী।
মানুষ বেশির ভাগ সময়েই ত্রুটিমুক্ত। কিন্তু ঘোড়ারা কেউ ত্রুটিহীন নয়। মালিক এর আস্তাবলের সেই দুটি ঘোড়া ছাড়া, যারা প্রথম মালিকের দেওয়া লাগাম পরেছিল।
তাই তোমরা ও ঘোড়াদের মধ্যে তোমাদের সিদ্ধান্তই অধিক মূল্যবান। কারণ মালিক তোমাদের একে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করেছেন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু জানেন।
তোমরা তোমাদের ঘোড়াদের বাইরে নিয়ে যাবার সময় শরীরের সাজ ও মুখের লাগাম ব্যবহার করবে। এছাড়া যদি রাস্তায় চোরের উপদ্রপের আশঙ্কা কর তবে ঘোড়াকে বস্তায় পুরে চার পা শুধু বের করে দিও।
তোমরা নিজের আস্তাবলে চারটির বেশি ঘোড়া রাখবে না। তবে এর বাইরে আলাদা করে উঠোনে বা গোয়ালে যতো খুশি ঘোড়া রাখতে পারো। তোমার দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী তারা তোমার জন্য হালাল।
তারাই উতম ঘোড়া যারা মালিকের নির্দেশ নির্ভূল মেনে চলে। এমনকি মালিক সামনে থাকুক বা না থাকুক তারা মালিকের পরানো লাগামের উপর বিরক্তি প্রদর্শন করে না। এরাই মানুষ হবার যোগ্য।
সেই ঘোড়াই আদর্শ ঘোড়া, যে তার মালিকের আহবানে দৌড়ে আসে, এমনকি চুল্লির ভিতর থেকে হলেও। মালিক পর্বত উত্তোলন করতে বললেও সে বিনা প্রশ্নে সেই কাজে প্রবৃত্ত হবে। এরাই মানুষ হবার যোগ্য।
ঘোড়ারা তোমাদের আস্তাবলে থাকে, তোমাদের খায় পরে ও তোমাদেরই বুদ্ধিতে নিরাপদে থেকে মানুষ হয়। যেসব ঘোড়া এই সত্য স্বীকার করে তোমাদের অনুগত থাকে তারাই ঈমানদার ঘোড়া। তারাই মানুষ হবার উপযুক্ত।
ঘোড়াদের মধ্যে যাদের অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের প্রথমে উপদেশ দাও, পরে আস্তাবলের বাইরে বেঁধে রাখো। তারপর তাদের প্রহার করো। এতে যদি তারা শুধরে যায় তবে আর কিছু করতে যেয়ো না।
ঘোড়াদের প্রহার কেন করা হয়েছে তা ঘোড়া ও মালিক এর ব্যক্তিগত গোপন ব্যাপার। পাব্লিকের কাছে তার কারণ দেখাতে তোমরা বাধ্য নও। কোনো মালিক কে প্রশ্ন করা হবে না সে কেন তার ঘোড়াকে পিটিয়েছিল।
তবুও ভদ্রলোক সাজতে চাইলে ঘোড়াদের প্রহার করার কথা গোপন রাখার নির্দেশ দিতে পারো। উত্তম ঘোড়া অবশ্যই মালিক যা হেফাজত করতে বলেছেন তার হেফাজত করবে। মালিক এর সামনে বা অবর্তমানে। এর অবাধ্য হলে তাদের আবার প্রহার করতে পারো।
প্রহার করার সময় শরীরের দৃশ্যমান অংশ (মানে আঙুলের ডগা, বা নাকের ডগা) বাদ দিয়ে আঘাত করবে। আর দেখবে যেন হাত পা ভেঙে না যায়। কারণ ল্যাংড়া ঘোড়া কোনো কাজে লাগে না আর তা থেকে পূর্ণ মানুষও করা যায় না।
যদি এর পরেও কোনো ঘোড়াকে মানুষ করতে না পারো তবে তা ঘোড়ারই দোষ, এই কিতাব এর নয়। সব ঘোড়া মানুষ হয় না। তাই তেমন ঘোড়াকে তিনবার ‘দূর হ, দূর হ, দূর হ’ বলে দূর করে দিয়ে অন্য ঘোড়া নিয়ে এসো।
আবুলের বাপ ও আল্লার বাপ।
উড়ন্ত ঘোড়ার আবিষ্কারব ডঃ আবুল দিওয়ানার বাপের একটা নাম ছিল বটে। কিন্তু আবুল মহাশয় যেইদিন বিশ্ববিখ্যাত হইলেন সেদিনের পরে তিনি আবুলের বাপ নামেই সর্বত্র পরিচিত। এর আগেও অবশ্য অনেকে তাঁহাকে এই নামে ডাকিতেন। কিন্তু তাহাতে তাঁহার মনে সুখ ছিল না। কারণ তিনি নিজে সুপুত্র আবুলকে হারামজাদা বলিয়া ডাকিতেন।
যাহাই হউক সবে বরাত এর পবিত্র রজনীতে আবুলের বাপের সহসা মনে হইল আল্লা তাঁহার গদিচেয়ারে তাকিয়া ঠেসান দিয়া বসিয়া আছেন। অবশ্যই তিনি উহা চক্ষে দেখেন নাই। কিন্তু তিনি একজন বিশ্বাসী, গায়েবে তাঁহার অবিশ্বাস নাই। অতিশয় সংবেদনশীল অনুভূতির দ্বারা তিনি সহজেই বুঝিলেন যে সেই তাকিয়া ঠেসান দেওয়া ব্যক্তিটি স্বয়ং আল্লাহ।
অনেকে হয়ত মনে করিবেন যে আল্লার আর কাজকাম নাই! তিনি আবুলের বাপের কাছে আসিয়া বসিবেন। এক সাল আগে হইলে আবুলের বাপও এমন কথায় বিশ্বাস করিতেন না। কিন্তু এখন তিনি বিশ্ববিখ্যাত আবুলের বাপ। তাই এমন লোকের কাছে আল্লা আসিতেই পারেন।
যাহা হউক আবুলের বাপ বিশ্বাসী মানুষ হইলেও তিনি বিজ্ঞানী আবুলের বাপও বটেন। তাই আল্লার আগমণের কথা বলিলে যে অনেকে প্রমাণ চাহিবে তাহা তিনি পুত্রের কারবার দেখিয়া ভালই জানিতেন। কিন্তু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কেমনে সংগ্রহ করে তাহা তিনি ভাল মজানিতেন না। তাই তিনি সোজা পুত্রকে ফোন দিলেন।
ডঃ আবুল তখন বসিয়া ঠাকুরমার ঝুলির রূপকথা পড়িতেছিলেন। পড়িতে পড়িতে চিন্তা করিতেছিলেন ঘুমন্তপুরীর রাজকন্যাকে কোথায় গেলে আবিষ্কার করা যায়। এমন সময়ে বাপের ফোন আসিল।
বাপ- ব্যাটা আবুল, কোথায় আছি রে এখন? তোর কাছে বুদ্ধি চাই।
আবুল সমস্ত শুনিয়া তখনি অন্য ফোনে হেলিকপ্টার অর্ডার করিয়া আনাইলেন। একদল বিশেষজ্ঞ সমেত হেলিকপ্টারে চলিতে চলিতে বাপকে কহিলেন
আবুল- উনি চেয়ারে বসে আছেন তো। তা ওনাকে কি খোঁচা দেওয়া যায়?
আবুলের বাপ- না বেটা! হাত নাড়িয়ে দেখলাম, হাওয়ার মতনই লাগে।
আবুল- ছবি তোলা যায়?
আবুলের বাপ- না বেটা, মোবাইলে তুলে দেখলাম। কেবল চেয়ার দেখা যায়।
আবুল- উনি বসার ফলে কি চেয়ারের ওজন বেড়েছে?
আবুলের বাপ- নাঃ চেয়ারটা তুলে দেখলাম। একেবারে যেমন ছিল তেমনই।
আবুল- তার মানে ওনার শরীর কোনো বস্তু দিয়ে তৈরী নয়। আচ্ছা উনি কি নিঃশ্বাস ফেলেন?
আবুলের বাপ- মোটেই না। নাকের কাছে হাত দিয়েও কোনো বাতাস লাগে না।
এইসব আলোচনা করিতে করিতেই ডঃ আবুলের হেলিকপ্টার বাড়ি আসিয়া নামিল। সকলে সেই চেয়ারের কাছে আসিয়া পরীক্ষা শুরু করিলেন।
প্রথমেই ইনফ্রারেড হইলে এক্সরে পর্যন্ত ক্যামেরা দিয়া দেখা হইল। কোনোভাবেই কিছু দেখা গেল না।
চেয়ারটিকে অতি উন্নত যন্ত্রে ওজন করিয়া দেখা হইল। লোকটির কোনো ওজন পাওয়া গেল না।
এবারে চেয়ারটিকে পলিথিনের চাদরে ঢাকিয়া দিয়া ভিতরে বায়ু পরিমাপ যন্ত্র লাগানো হইল। তাহাতে বাতাসের কোনো পরিবর্তন দেখা গেল না। অর্থাৎ শ্বাসক্রিয়াও নাই।
চেয়ারের লোকটি যে অতিশয় অলৌকিক তাহা নিশ্চিত হইবার পরে তাহাকে প্রশ্ন করা শুরু হইল। অবশ্য অন্য কেহ তাহা পারেন নাই। আবুলের বাপই একমাত্র উহাকে অনুভব করিতে পারিতেছিলেন। তাই তিনিই দোভাষীর কাজ করিলেন।
প্রশ্ন- আপনি কে মহাশয়? আপনি কি আল্লার ফেরেস্তা? নাকি আল্লা স্বয়ং?
ব্যক্তি- আমি হলাম আল্লার বাপ।
প্রশ্ন- তা কিভাবে সম্ভব? আল্লার বাপ থাকে কিভাবে?
আল্লার বাপ- যেভাবে তোমাদের বাপ থাকে সেইভাবে আল্লারও বাপ থাকে। তোমরা কিভাবে জানলে যে আল্লার বাপ থাকতে পারে না?
প্রশ্ন- আল্লা তো নিজেই বলেছেন তেনার কোনো বাপ নাই। তাইলে আপনি কোথা থেকে এলেন?
আল্লার বাপ- আচ্ছা! তুমি কি আল্লাকে দেখেছ? তিনি যে তোমাকে সৃষ্টি করেছেন সেটা তুমি জানলে কিভাবে?
আবুল- সেটা তো আল্লাই বলেছেন যে তিনিই সব সৃষ্টি করেছেন
আল্লার বাপ- তাইলে দেখলে তো। যে বানিয়েছে সেইই বলতে পারে। তোমাকে যে আল্লায় বানিয়েছে সেটা তোমার জানার কথা না। সেটা আল্লায় জানে। তেমনি আমি আল্লাকে বানিয়েছি সেটা আল্লার জানার কথা না, সেটা আমি জানি। ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
যাহাই হউক সবে বরাত এর পবিত্র রজনীতে আবুলের বাপের সহসা মনে হইল আল্লা তাঁহার গদিচেয়ারে তাকিয়া ঠেসান দিয়া বসিয়া আছেন। অবশ্যই তিনি উহা চক্ষে দেখেন নাই। কিন্তু তিনি একজন বিশ্বাসী, গায়েবে তাঁহার অবিশ্বাস নাই। অতিশয় সংবেদনশীল অনুভূতির দ্বারা তিনি সহজেই বুঝিলেন যে সেই তাকিয়া ঠেসান দেওয়া ব্যক্তিটি স্বয়ং আল্লাহ।
অনেকে হয়ত মনে করিবেন যে আল্লার আর কাজকাম নাই! তিনি আবুলের বাপের কাছে আসিয়া বসিবেন। এক সাল আগে হইলে আবুলের বাপও এমন কথায় বিশ্বাস করিতেন না। কিন্তু এখন তিনি বিশ্ববিখ্যাত আবুলের বাপ। তাই এমন লোকের কাছে আল্লা আসিতেই পারেন।
যাহা হউক আবুলের বাপ বিশ্বাসী মানুষ হইলেও তিনি বিজ্ঞানী আবুলের বাপও বটেন। তাই আল্লার আগমণের কথা বলিলে যে অনেকে প্রমাণ চাহিবে তাহা তিনি পুত্রের কারবার দেখিয়া ভালই জানিতেন। কিন্তু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কেমনে সংগ্রহ করে তাহা তিনি ভাল মজানিতেন না। তাই তিনি সোজা পুত্রকে ফোন দিলেন।
ডঃ আবুল তখন বসিয়া ঠাকুরমার ঝুলির রূপকথা পড়িতেছিলেন। পড়িতে পড়িতে চিন্তা করিতেছিলেন ঘুমন্তপুরীর রাজকন্যাকে কোথায় গেলে আবিষ্কার করা যায়। এমন সময়ে বাপের ফোন আসিল।
বাপ- ব্যাটা আবুল, কোথায় আছি রে এখন? তোর কাছে বুদ্ধি চাই।
আবুল সমস্ত শুনিয়া তখনি অন্য ফোনে হেলিকপ্টার অর্ডার করিয়া আনাইলেন। একদল বিশেষজ্ঞ সমেত হেলিকপ্টারে চলিতে চলিতে বাপকে কহিলেন
আবুল- উনি চেয়ারে বসে আছেন তো। তা ওনাকে কি খোঁচা দেওয়া যায়?
আবুলের বাপ- না বেটা! হাত নাড়িয়ে দেখলাম, হাওয়ার মতনই লাগে।
আবুল- ছবি তোলা যায়?
আবুলের বাপ- না বেটা, মোবাইলে তুলে দেখলাম। কেবল চেয়ার দেখা যায়।
আবুল- উনি বসার ফলে কি চেয়ারের ওজন বেড়েছে?
আবুলের বাপ- নাঃ চেয়ারটা তুলে দেখলাম। একেবারে যেমন ছিল তেমনই।
আবুল- তার মানে ওনার শরীর কোনো বস্তু দিয়ে তৈরী নয়। আচ্ছা উনি কি নিঃশ্বাস ফেলেন?
আবুলের বাপ- মোটেই না। নাকের কাছে হাত দিয়েও কোনো বাতাস লাগে না।
এইসব আলোচনা করিতে করিতেই ডঃ আবুলের হেলিকপ্টার বাড়ি আসিয়া নামিল। সকলে সেই চেয়ারের কাছে আসিয়া পরীক্ষা শুরু করিলেন।
প্রথমেই ইনফ্রারেড হইলে এক্সরে পর্যন্ত ক্যামেরা দিয়া দেখা হইল। কোনোভাবেই কিছু দেখা গেল না।
চেয়ারটিকে অতি উন্নত যন্ত্রে ওজন করিয়া দেখা হইল। লোকটির কোনো ওজন পাওয়া গেল না।
এবারে চেয়ারটিকে পলিথিনের চাদরে ঢাকিয়া দিয়া ভিতরে বায়ু পরিমাপ যন্ত্র লাগানো হইল। তাহাতে বাতাসের কোনো পরিবর্তন দেখা গেল না। অর্থাৎ শ্বাসক্রিয়াও নাই।
চেয়ারের লোকটি যে অতিশয় অলৌকিক তাহা নিশ্চিত হইবার পরে তাহাকে প্রশ্ন করা শুরু হইল। অবশ্য অন্য কেহ তাহা পারেন নাই। আবুলের বাপই একমাত্র উহাকে অনুভব করিতে পারিতেছিলেন। তাই তিনিই দোভাষীর কাজ করিলেন।
প্রশ্ন- আপনি কে মহাশয়? আপনি কি আল্লার ফেরেস্তা? নাকি আল্লা স্বয়ং?
ব্যক্তি- আমি হলাম আল্লার বাপ।
প্রশ্ন- তা কিভাবে সম্ভব? আল্লার বাপ থাকে কিভাবে?
আল্লার বাপ- যেভাবে তোমাদের বাপ থাকে সেইভাবে আল্লারও বাপ থাকে। তোমরা কিভাবে জানলে যে আল্লার বাপ থাকতে পারে না?
প্রশ্ন- আল্লা তো নিজেই বলেছেন তেনার কোনো বাপ নাই। তাইলে আপনি কোথা থেকে এলেন?
আল্লার বাপ- আচ্ছা! তুমি কি আল্লাকে দেখেছ? তিনি যে তোমাকে সৃষ্টি করেছেন সেটা তুমি জানলে কিভাবে?
আবুল- সেটা তো আল্লাই বলেছেন যে তিনিই সব সৃষ্টি করেছেন
আল্লার বাপ- তাইলে দেখলে তো। যে বানিয়েছে সেইই বলতে পারে। তোমাকে যে আল্লায় বানিয়েছে সেটা তোমার জানার কথা না। সেটা আল্লায় জানে। তেমনি আমি আল্লাকে বানিয়েছি সেটা আল্লার জানার কথা না, সেটা আমি জানি। ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
বাঁধ ভাঙার আওয়াজ-এ প্রকাশিত। পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছ।
মন্তব্যসমূহঃ-
১. ১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৪৫
মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন: নাস্তিক ঈশ্বর
আপনার লেখায় আল্লার বাপ ঝাঁঝাঁ প্রদাণ করুন। আমেণ।
মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন: নাস্তিক ঈশ্বর ১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫০
লেখক বলেছেন: নাস্তিক-আল্লার বাপের নবী বিজ্ঞানী-আবুলের বাপ। দেখা যাক কি নতুন কিতাব পাওয়া যায়।
১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫৩
লেখক বলেছেন: ওহ! আসল কথাটাই তো বলতে মনে নাই। আল্লার বাপ এসেছিলেন বিজ্ঞানী আবুলের কপালে নোবেল প্রাইজ লিখে দিতে।
২. ১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫৬
বাদ দেন বলেছেন: কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
বাদ দেন বলেছেন: কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন। ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০২
লেখক বলেছেন: পুলাগুলি বেজায় বদ হইছে। ঠিক আপনার মতন।
৩. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: লিখার হেডিং দেখে মনে করেছিলাম খুব ভালো একটা পোস্ট। কিন্তু পুরোটা পড়ে দেখলাম, তাতে করে লেখকের নাম টা দেখতে খুব ইচ্ছা করলো। পরে ভাবলাম এমন লিখা লেখা দু-পেয়ে গাধার দ্বারায় সম্ভব। ব্যাটা ফাজিল------------------------
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: লিখার হেডিং দেখে মনে করেছিলাম খুব ভালো একটা পোস্ট। কিন্তু পুরোটা পড়ে দেখলাম, তাতে করে লেখকের নাম টা দেখতে খুব ইচ্ছা করলো। পরে ভাবলাম এমন লিখা লেখা দু-পেয়ে গাধার দ্বারায় সম্ভব। ব্যাটা ফাজিল------------------------ ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৭
লেখক বলেছেন: ডঃ আবুল এবং তাঁর বাপ নিয়ে কিভাবে ভালো পোস্ট হবে? ওনারা আমার ফানি সিরিজের ক্যারেক্টার।
এমন লেখা আমার পক্ষেই সম্ভব শুনে খুব দুঃখ পেলাম। পাঁচজনে লিখলে চাপটা কম পড়ত।
ফাজিল তো মাদ্রাসায় পড়ে হয়।
এমন লেখা আমার পক্ষেই সম্ভব শুনে খুব দুঃখ পেলাম। পাঁচজনে লিখলে চাপটা কম পড়ত।
ফাজিল তো মাদ্রাসায় পড়ে হয়।
৪. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৬
ভদ্র পোলা বলেছেন: পুরা বাইন## মারকা পোস্ট
ভদ্র পোলা বলেছেন: পুরা বাইন## মারকা পোস্ট ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:১০
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টটাও ভদ্র পোলা মারকা। মজা পাইসি।
৫. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:১৩
বিসাম বলেছেন: আবুল পোষ্ট আসলেই একটা গাধা
বিসাম বলেছেন: আবুল পোষ্ট আসলেই একটা গাধা ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৩১
লেখক বলেছেন: শুধু বললেই হপে? প্রমাণ দ্যান!
৬. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:২০
কপালপোড়া বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে।
এই জায়গাটা জটিল হইছে।
কপালপোড়া বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে।এই জায়গাটা জটিল হইছে।
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৩২
লেখক বলেছেন: আল্লার বাপ (ভগার বাপও বলা যায়) আল্লারে হেদায়েত প্রদান করুন।
৭. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৩২
সেচ্ছাসেবক বলেছেন: upnar nam tai jothartow ...
সেচ্ছাসেবক বলেছেন: upnar nam tai jothartow ... ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৩৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! সবই আল্লার বাপের ইচ্ছা।
৮. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৪৯
সেচ্ছাসেবক বলেছেন: G ... Amra upnar bap shommondhe-o obogotow hoilam ... somewherein blog-a notice tanggano uchit "animal not allowed" ... Upni aktu try koren tow notice ta lagano jaA ki na ...
সেচ্ছাসেবক বলেছেন: G ... Amra upnar bap shommondhe-o obogotow hoilam ... somewherein blog-a notice tanggano uchit "animal not allowed" ... Upni aktu try koren tow notice ta lagano jaA ki na ... ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:২৯
লেখক বলেছেন: আপনি যদি বাংলায় নোটিশটা লিখে ফেলেন তো আমি সেটা টাঙানোর জন্য অবশ্যই আন্দোলন কবতে প্রস্তুত।
৯. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:০২
সন্যাসী বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
চ র ম।
সন্যাসী বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।চ র ম।
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:৩১
লেখক বলেছেন: একটা ভালো দিক আছে। আল্লার বাপ এসে পড়ায় সব ধর্ম এক হয়ে যাবার চান্স রইল।
১০. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:৪৭
বৈকুন্ঠ বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
কি সাংঘাতিক কথা!!!!!!!???????? আপনার কল্লা চাই। কৈ পাওয়া যাইবো বলেন
বৈকুন্ঠ বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন। কি সাংঘাতিক কথা!!!!!!!???????? আপনার কল্লা চাই। কৈ পাওয়া যাইবো বলেন
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৫০
লেখক বলেছেন: আল্লার বাপরে জিগান। শুনলাম তিনি সবকিছু জানেন।
১১. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:৪৯
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৫১
লেখক বলেছেন: কোন কথাটায় হাসলেন খুলে বলেন। আম্মো হাসি।
১২. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:১২
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৫৩
লেখক বলেছেন: আমিই বানাইছি। ইহাতে কোনো সন্দেহ নাই।
১৩. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:২৫
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৫৪
লেখক বলেছেন: পাক্কা ঈমানদারের মতন আপনার বিশ্বাসে অটল থাকুন। যে আপনার বিশ্বাসে আঘাত করবে সে সোওওওওওওও--জা নরকে যাবে।
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৫৬
লেখক বলেছেন: আর ইয়ে
মাঝে মাঝে হলে চলবে না। ফুলটাইম বিশ্বাস আনতে হবে।
মাঝে মাঝে হলে চলবে না। ফুলটাইম বিশ্বাস আনতে হবে।
১৪. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৩:০৫
সিস্টেম বলেছেন: বাদ দেন বলেছেন: কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
সিস্টেম বলেছেন: বাদ দেন বলেছেন: কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন। ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:২১
লেখক বলেছেন: উহারা নিজের সীমাবদ্ধ জ্ঞান দ্বারা আপন স্রষ্টাকে জানিতে পারে না। ঠিক পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।
১৫. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৩:০৫
সবাক বলেছেন: আমাদের অফিসে বেশ কয়েকজন আল্লাহর বাপ (যারা আল্লাহরে বাঁচাইয়া রাখতে পাছা বিক্রি করতেও রাজি) আছে। উনাদের দেখার আগে আল্লাহরে বোকা মনে হইতো। উনাদেরকে দেখার পর থেকে ডাইরেক্ট বোকাচাদা মনে হয়।
সবাক বলেছেন: আমাদের অফিসে বেশ কয়েকজন আল্লাহর বাপ (যারা আল্লাহরে বাঁচাইয়া রাখতে পাছা বিক্রি করতেও রাজি) আছে। উনাদের দেখার আগে আল্লাহরে বোকা মনে হইতো। উনাদেরকে দেখার পর থেকে ডাইরেক্ট বোকাচাদা মনে হয়। ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:২৩
লেখক বলেছেন: মুমিনেরা বড়ই বিচিত্র জীব। নিজে মার খাইলে আল্লার কাছে বিচার দেয়, এদিকে আল্লারে গদাম দিলে নিজেরা আগায়া পিঠ পাতে। তখন আর আল্লার শক্তির উপ্রে ভরসা রাখবার পারে না।
১৬. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৩:০৬
অন্য কেউ বলেছেন: সে-----------------------ই-রা-ম! জটিলস্য জটিল।
মহান FSM আপনাকে ছুঁয়ে দিন, with His Noodly appearance।
রামেন।
অন্য কেউ বলেছেন: সে-----------------------ই-রা-ম! জটিলস্য জটিল। মহান FSM আপনাকে ছুঁয়ে দিন, with His Noodly appearance।
রামেন।
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:২৬
লেখক বলেছেন: আহা! সেই সৌভাগ্য কি আর হবে!
১৭. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৭:১৬
আলবার্ট_আইনস্টাইন বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।

অসাধারণ!
আলবার্ট_আইনস্টাইন বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন।অসাধারণ!
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:২৮
লেখক বলেছেন: যেই কারণে ঈশ্বরেরা বেকুব।
(কাকপাখির নতুন পোস্ট এই রকম হতে পারে।)
(কাকপাখির নতুন পোস্ট এই রকম হতে পারে।)
১৮. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৯:৫৫
১৮ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৩৩
লেখক বলেছেন:
সকলে এনাকে 'বোকা বুড়ো' বলেই চেনে। বোকারা কতদুর কি করতে পারে তার জন্য মনেহয় এই একটা উদাহরনই যথেষ্ট হবে।
না হলে আরো অনেক আছে। চাইলেই পাবেন।
সকলে এনাকে 'বোকা বুড়ো' বলেই চেনে। বোকারা কতদুর কি করতে পারে তার জন্য মনেহয় এই একটা উদাহরনই যথেষ্ট হবে।
না হলে আরো অনেক আছে। চাইলেই পাবেন।
১৯. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ১২:৪০
আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: জটিলতম হইছে। পুরাই কোপাইন্না। প্রিয়তে।
১৮ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৪৩
লেখক বলেছেন: সকলই আল্লার বাপের ইচ্ছা।
তিনি আপনাকে উত্তম নেটওয়ার্ক প্রদান করুন। -আমিন-
তিনি আপনাকে উত্তম নেটওয়ার্ক প্রদান করুন। -আমিন-
২০. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:৪২
বেঙ্গলেনসিস বলেছেন: হা হা বি খে চে উ প গে!
বেঙ্গলেনসিস বলেছেন: হা হা বি খে চে উ প গে! ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১২
লেখক বলেছেন: এত্ত বড় কতাটার মানে কি? গুগুলে সার্চ দিয়াও পাই না।
২১. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ২:১৪
ন-আিস্তক বলেছেন: হেই...আমি আল্লার দাদা কইতাছি...
ন-আিস্তক বলেছেন: হেই...আমি আল্লার দাদা কইতাছি... ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৩
লেখক বলেছেন: নমষ্কার, ভালো আছেন?
আপনার ভায়ের ফোন নম্বরটা যদি একটু দিতেন তো ভারি উপকার হত।
আপনার ভায়ের ফোন নম্বরটা যদি একটু দিতেন তো ভারি উপকার হত।
২২. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:১১
চয়নিকা বলেছেন: মুমিনেরা বড়ই বিচিত্র জীব। নিজে মার খাইলে আল্লার কাছে বিচার দেয়, এদিকে আল্লারে গদাম দিলে নিজেরা আগায়া পিঠ পাতে। তখন আর আল্লার শক্তির উপ্রে ভরসা রাখবার পারে না
সেরাম হইছে.................
চয়নিকা বলেছেন: মুমিনেরা বড়ই বিচিত্র জীব। নিজে মার খাইলে আল্লার কাছে বিচার দেয়, এদিকে আল্লারে গদাম দিলে নিজেরা আগায়া পিঠ পাতে। তখন আর আল্লার শক্তির উপ্রে ভরসা রাখবার পারে নাসেরাম হইছে.................
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৪
লেখক বলেছেন: বড়ই বিচিত্র।
২৩. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:১৫
তানহা খান বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতন
হা হা প গে..।জটিল বললে ভুল হবে।জটিলতম...
তানহা খান বলেছেন: ভগবান, গড, আল্লা তিনটাকেই আমি বানিয়েছি। কিন্তু তারা এতটাই বেয়াড়া নাস্তিক হয়ে গেছে যে যেখানে সেখানে বলে বেড়ায় যে তারা নিজে নিজেই হয়েছে। ঠিক তোমাদের পৃথিবীর নাস্তিকগুলার মতনহা হা প গে..।জটিল বললে ভুল হবে।জটিলতম...
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৬
লেখক বলেছেন: তিন তিনটা পুলা নাস্তিক হৈয়া গেলে বাপের কত কষ্ট তা আপনে কেমনে বুইবেন? হাসেন, কি আর কমু!
২৪. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৫১
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৭
লেখক বলেছেন: কমেন্টে গালাগালি নাই দেখলাম। আর কি নাই কইতারিনা। আপ্নে কৈয়া দেন।
২৫. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৫
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫০
লেখক বলেছেন: এবং নাস্তিকেরা বেকুব (কাকপাখি ২)
২৬. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১০:৩৬
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৩৫
লেখক বলেছেন: তিন মাসের আমার লেখা? নাকি সক্কলের?
ডঃ আবুল লোকটিই এমন যে তাঁকে নিয়ে কিছু লিখলেই সেরা হয়ে যায়। এবারে তো আবুলের বাপও আছেন।
ডঃ আবুল লোকটিই এমন যে তাঁকে নিয়ে কিছু লিখলেই সেরা হয়ে যায়। এবারে তো আবুলের বাপও আছেন।
২৭. ১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:০৫
১৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৩৭
লেখক বলেছেন: ধার্মিকদের গালি খাইলে নরকের আগুনের কিছুটা এইকালেই উশুল হয়। মরার পরে কম পুড়বেন। অভিনন্দন...
২৮. ১৯ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৯:০৪
আমি নি (?) বলেছেন: আমি আল্লার বাপের উপর ঈমান আনিলাম। এখন আমারে কি আস্তিকের বাপ বলা যাইবেক?
আমি নি (?) বলেছেন: আমি আল্লার বাপের উপর ঈমান আনিলাম। এখন আমারে কি আস্তিকের বাপ বলা যাইবেক? ১৯ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১০:০৭
লেখক বলেছেন: এইটা তো আমি বলতে পারিনা। আবুলের বাপকে শুধানো লাগবে।
২৯. ১৯ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৯:২০
১৯ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১০:১০
লেখক বলেছেন: কেন? তফাত আছে তো!
বিশ্বাস না থাকলে টাকা গুনে নেবেন। আর বিশ্বাস থাকলে না গুনেই নেবেন।
বিশ্বাস না থাকলে টাকা গুনে নেবেন। আর বিশ্বাস থাকলে না গুনেই নেবেন।
৩০. ২০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১:২২
২০ শে জুলাই, ২০১১ ভোর ৪:০৫
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সন্দেহ নাই। সন্দেহ থাকলে সোওওওজা নরকে।
৩১. ২০ শে জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:০৫
২১ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১:৪৩
লেখক বলেছেন: সবই আবুলের বাপের কৃপা।
৩২. ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:১৯
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: অসাধারন। আমি পুরোপুরি অবাক। চমৎকার স্যাটায়ার।
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: অসাধারন। আমি পুরোপুরি অবাক। চমৎকার স্যাটায়ার। ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৩
লেখক বলেছেন: সবই আল্লার বাপের কৃপা। আমরা তাহাই জানি যাহা তিনি জানাইয়াছেন।
৩৩. ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৪৪
গুহাবাসি বলেছেন: লেখক বলেছেন: একটা ভালো দিক আছে। আল্লার বাপ এসে পড়ায় সব ধর্ম এক হয়ে যাবার চান্স রইল।
গুহাবাসি বলেছেন: লেখক বলেছেন: একটা ভালো দিক আছে। আল্লার বাপ এসে পড়ায় সব ধর্ম এক হয়ে যাবার চান্স রইল। ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:০৩
লেখক বলেছেন: খিকজ...
৩৪. ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:৪৫
নিপাট গর্দভ বলেছেন: ৩ জনেই রেডি হইয়া বইয়া আছে। আপনি খালি মইররা লন, এমন বাম্বু দিব আপনারে, এক লগে বাইবেল, কোরান, গীতা সব হজম হইয়া যাইব কিন্তুক!
নিপাট গর্দভ বলেছেন: ৩ জনেই রেডি হইয়া বইয়া আছে। আপনি খালি মইররা লন, এমন বাম্বু দিব আপনারে, এক লগে বাইবেল, কোরান, গীতা সব হজম হইয়া যাইব কিন্তুক! ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:০৬
লেখক বলেছেন: দুনিয়ার বেশির ভাগ লোকেই ত দিনেরাতে বাম্বু খায়। কিন্তু যাদের বেহেস্তের বুকিং কনফার্ম সেইসব ধার্মিকেরা কোন দুঃখে এই দুনিয়ায় বেঁচে থাকে?
৩৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:৪৭
কে জানে বলেছেন: হাহাহাহা...দারুন মজা পাইলাম বস, চালায় যান।
কে জানে বলেছেন: হাহাহাহা...দারুন মজা পাইলাম বস, চালায় যান। ০৭ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৫২
লেখক বলেছেন: অবশ্যই চলবে। থেমে যাবার কোনো চান্সই নেই।





